সুন্দরী বান্ধবী ও অচেনা এক দম্পতির বিশেষ সম্পর্ক !! পর্ব ২
বাংলা গল্প: সুন্দরী বান্ধবী ও অচেনা এক দম্পতির বিশেষ সম্পর্ক !! পর্ব ২
লেখক: Sumi Akhtar
*****-********************************
#বাংলা_এডাল্ট_গল্প #বন্ধুর_বউ #বান্ধবি #বউ #বস #ভাইবোন #পুত্রবধূ #শশুর #গৃহবধূর #কাহিনী #পরকিয়া #গল্প
*************************************
আমাকে দেখেই মুচকি হেসে অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নীল। বেশ বুঝতে পেরেছি আমি যে তাকে লক্ষ্য করিনি তাতে তার নারীত্বে আঘাত লেগেছে। আমি তাকে বন্ধু হিসেবেই ভেবেছিলাম কিন্তু আজ তার চাহনি দেখে মনে মনে ভাবলাম ব্যাপারটা কি পুনর্বিবেচনা করতে হবে নাকি।
যাই হোক যথারীতি রবিন্দ্রসরোবরে বসে চা খেলাম তারপর ৩২ নম্বরের দিকে হাটতে থাকলাম আজ পার্ক কিছুটা খালি ৮ নম্বরের footover bridge টা তে উঠতে উঠতে দীনা জিজ্ঞেস করল আজকে আমাকে কেমন লাগছে।
আমি কিছুটা romantic ভাব নিয়ে বললাম অন্যরকম লাগছে।
তারপর জিজ্ঞেস করল “আর?”
এই একটা শব্দ আমাদের দুইজনের সেই বন্ধুত্ব সম্পর্কটাকে যেন চিরতরে ঘুরিয়ে দিল।
আমি দাড়িয়ে গেলাম দীনা উপরের দিকে উঠতে লাগল। দীনা ইচ্ছে করেই যেন কোমর টা একটু বেশি দুলিয়ে হাঁটছিল। সেই মুহূর্তে আমাদের মধ্যে যেন এক অদৃশ্য কথোপকথন চলছিল যা সেই আদিম যুগ থেকে প্রতিটা প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষের শরীর কাছাকাছি আসলে হয়।
দীনা জানত আমি পেছন থেকে তাকে দেখছি আর আমিও জানতাম দীনা বেশ ভাল করেই জানে আমি কি দেখছি। তারপর দীনা শুধু ঘার ঘুরিয়ে শরীর একটু বাঁকা করে বলল কি হল ওখানেই দাড়িয়ে থাকবে নাকি।
দিনার মুখে সেই কপট হাসি যে হাসি একজন নারী তার প্রথম বস্রশরীর থেকে আলাদা করে ছুড়ে ফেলে তার সঙ্গীর দিকে তাকিয়ে হাসে এ যেন এক অন্যরকম কামাঅনুভুতি।
আমি স্বাভাবিক হয়ে দিনার দিকে এগিয়ে গিয়ে সাধারণ কথা বার্তা শুরু করলাম। কিন্তু মস্তিষ্ক তো অন্য কথা বলছে।
এখন দিনার বর্ণনা দেয়া যাক। দীনা ঢাকার বাইরে বড় হয়েছে। কোথায় বলব না। ৫’৩” লম্বা। চেহারা মোটামুটি। গায়ের রং শ্যামলা কিন্তু কালের দিকে। বক্ষ মোটামুটি ৩৪ কিন্তু নিতম্ব দেখতে দারুণ আর আমার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা সেটাই। সাইজ ৩৮ হবে তবে পেট একটু মোটার দিকে তাই ফিগার তেমন বুঝা যায় না। এই কারণেই হয়ত দীনা ঢোলা জামা পড়ে থাকে।
বলতেই হবে আমার আগের যে কারোর সাথে তুলনা করলে দীনা সবার নিচের দিকেই থাকবে কিন্তু সেই ১৫ সেকেন্ডের যে অনুভূতি সেটা extraordinary. কারণ এ পর্যন্ত অন্যদের seduce করবার বেলায় আমি active ছিলাম। যদিও তারা নিজ ইচ্ছাতেই আমার অনুযোগ হয়েছে কিন্তু সক্রিয় ছিলাম আমি। প্রথমবারের মত কেউ আমাকে seduce করতে চাইছে এই অনুভূতিটা আমাকে বেশ নেড়েচেড়ে দিল।
সেদিন বাসায় ফিরে আবারও বেশ রাত অপদি কথা হল। দুইজনই double meaning এ কিছু কথা আদান প্রদান করলাম। এর বেশি সেও এগোলও না আমিও ইচ্ছে করে কিছু বুঝতে দিলাম না। ভাবলাম সে ই active থাকুক।
তারপর রোজা শুরু হল আর শুরু হল আমাদের কথার express. প্রায় প্রতিদিনই সেহরির আগ পর্যন্ত কথা হত। বাঁধ ভাঙা কথা।
দুইজনই দুইজনের sex life সম্পর্কে সব খোলাসা করলাম (অবশ্যই বিয়ের আগের ও পরবর্তী সময়ের। অন্য মেয়েদের বা মহিলাদের সাথের সম্পর্কের কথা এড়িয়ে গেলাম। কিন্তু মাঝে মাঝে বলতাম এই মহিলা এটা চায় ঐ মহিলা ওটা চায়। দীনা খুব jealous হত তা খুব ভাল করেই বুঝতে পারতাম) মানে একজনের সাথেই সব। সেও বলল তার জামাইর সাথে যেহেতু এক সাথে থাকা হত নি so তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে খুব বেশি হলে ২০-২৫ বার।
তারপর বলতে লাগল প্রেম না করার আক্ষেপ। BF এর সাথে এখানে সেখানে লুকিয়ে চুমু খাওয়া একটু ছোঁয়া ছুয়ি করা এসব এর মজা না পাওয়ার আক্ষেপ। আমিও আমার আর আমার বউয়ের সেই সব দিনগুলির কথা বলে আক্ষেপ আরও বারিয়ে দিতাম।
রোজা প্রায় শেষ, একদিন ঘুরাঘুরি নিয়ে আলাপ করতে করতে হুট করে জিজ্ঞেস করলাম ঈদের পর আমার ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছে আছে তুমি যাবে।
সেও কিছু নি ভেবেই বলে বসল গেলে তো ভালই হয়।
তারপর বললাম আমার চা বাগানে চাঁদ দেখার খুব সখ।
দীনা বলল এটা কি করে সম্ভব হবে?
আমি বললাম শ্রীমঙ্গলে একটা টি রিসোর্ট আছে সেখানে গেলে ভাল লাগবে। ঈদের দুই সপ্তাহ পরে গেলে ভরা পূর্ণিমা পাওয়া যাবে। সেও রাজি হল। প্ল্যান করে ফেললাম।
তারপর হুট করে দীনা বলল তুমি নিশ্চয়ই seriously ভাবছ না যে আমি তোমার সাথে বেড়াতে যাব।
আমিও বললাম, না!!!
Plan করলে যে যেতে হবে এমন ত কোন কথা নেই। plan করতেই তো বেশি মজা। আর মনে মনে ভাবলাম যাওয়া তো হবেই।
এর মাঝে চলে আসল এক twist. অফিস থেকে খুব জরুরি কাজে আমাকে মালয়েশিয়া পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হল, ভিসা টিসা করে সব প্রস্তুত পারলে ঈদের আগেই পাঠিয়ে দেয় এমন অবস্থা। তারপর অনেক কষ্ট করে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করানো হল যে আমি ঈদের পরে যাব।
এই কথা জানানোর পর দীনা মুখ গোমরা করে বলল তাহলে আমরা ঘুরতে যাব কি করে?
আমি একটু হেসে বললাম তাই নাকি যাওয়ার ইচ্ছে আছে তাহলে?
সেও একটা হাসি দিল।
তারপর প্ল্যান করা শুরু হল পাশাপাশি আরেকটা প্ল্যান হল যে FB group থেকে আমাদের পরিচয় সেই group এর get together। দুই plan এ জগা খিচুরি। ঈদের পরের শুক্রবার get together তাই ঘুরতে যাওয়া হল না আর কিছুটা দ্বিধাও কাজ করছে কারন শারীরিক ভাবে আমরা একে অপরকে সেভাবে স্পর্শও করি নাই আর বেড়াতে যাব ভাবছি।
যাই হোক get together নিয়েই ভাবনা বেশি। ঈদের পাঁচদিন পরেই দীনা ঢাকায় চলে আসল। Get together উপলক্ষে আমি একটা শাড়িও gift করলাম দীনাকে তারপর plan করলাম movie দেখব। উদ্দেশ্য কিছুটা সময় অন্ধকারে থাকা আর দিনার মনের আশাটা পুরণ করা।
তাই যথাসময়ে শুক্রবার get together এ গেলাম। শাড়িতে দীনাকে সেদিন বেশ ভালই লাগছিল। আর রোজা রেখে পেট কিছুটা কমেছে তাতে ফিগারটাও যেন একদম খেলছিল। আমিও অনেকদিন sex থেকে দুরে আর দীনা ও আমাদের মাঝের এই নতুন নাবলা বন্ধুত্বের আড়ালে লুকনো এই সম্পর্কটাকে যেন আর গভীর করে পেতে চাচ্ছিল।
মিরপুর থেকে বসুন্ধরা আসার ৪৫ মিনিট CNG তে দীনা আমার গায়ের সাথে যেন মিশে যেতে চাইছে। আমি বুঝতে পারছি দীনা চাইছে আমি যেন ওপর শরীরে হাত দেই ওঁকে নিয়ে অন্য ছেলেরা CNG তে বসে মেয়েদের সাথে যা করে তা যেন করি। কিন্তু আমি ইচ্ছে করেই তা এড়িয়ে যাচ্ছিলাম শুধু দেখার জন্য এই নারী আমার সঙ্গ পাবার জন্য আর কি করে।
আমরা বসুন্ধরা পৌঁছে কিছুটা হতাশ হলাম। ভেবেছিলাম পুরাতন মুভি তাই হল খালি থাকবে। হলে ঢুকে দেখি খুব ভাল একটা সিট পেয়েও কিছুই করা যাবে না কারণ হল পুরা packed. কি আর করা অগত্যা শাড়ির নিচে পা নিয়ে কিছুক্ষণ পায়ে পা ঘষাঘষি করা ছারা আর কিছুই করা গেল না।
যাক মুভি enjoy করে দীনাকে তার বাসায় নামিয়ে আমি বাসায় ফিরব এমন সময় মোহাম্মদপুরের আপু ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করল কোথায়?
আমি বললাম সায়েন্সল্যাব, বাসায় যাচ্ছি।
সে বলল আমি মাত্র বাসায় এসেছি কেউ নেই চলে আস আমি বললাম ১০ টা বাজে দারওয়ান?
আপু বলল ঈদের ছুটিতে, গেটে কেউ নেই building ও প্রায় খালি।
ব্যাস No second thought এমনি সারাদিনে বেস গরম খেয়ে আছি তাই আর কি, চলে গেলাম। সেই আপুর কাছে ঠাণ্ডা হতে ও করতে।
পরদিন দীনা ফোন করে বলল বলাকায় boss movie চলছে সেখানে দেখা যায়। (আমাদের আগেরবার এই মুভিটাই দেখার কথা ছিল কিন্তু টিকেট পাই নাই) তো বললাম মঙ্গলবার দেখা যাক অফিসের পরে। মঙ্গলবার কাজের চাপ কম হবে।
ব্যাস যেমন কথা তেমন কাজ।
বলাকা সিনেমাহল খালি থাকবে এটা জানা কথা। কিন্তু এত খালি থাকবে তা ত আর বুঝি নাই। এই জন্যই বুঝি টিকেট ৩০০ টাকা করে রাখে।
হলে গিয়ে সবার উপরের সারিতে পাশাপাশি বসলাম। এখন দেখি সবাই উপরের সারিতে বসতে চায় আমরা ভাব নিয়ে নিচের দিকে কর্নারে চল গেলাম। আমরা মুভি দেখতে আসছি কারো মাথা না, কিন্তু আসলে যেখানে বসেছি তার দুই সারি উপরে কেউ নেই আর সামনে ত নেইই। মুভি শুরু হল। দুইজন দুইজনের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলাম।
দীনা আমার বা হাত জরিয়ে ধরে তার বুকের সাথে ঘসতে থাকল। কিছুটা মন খারাপ হল ফোমের ব্রা পরে আসছে। মনে মনে বললাম মেয়েটার কি এই বুদ্ধিটাও নাই।
আমি ওর হাত ধরে আর দুই পায়ের মাঝে এনে ঠিক বাড়ার উপর ধরে রেখেছি। বাধটা কে ভাঙ্গবে দুইজনই সেই অপেক্ষায়।
আমি কিছুক্ষণ পর পর ওর হাত টি বাড়ার সাথে ঘসা দিচ্ছি আর দিনার আমার বাম হাতের কনুইয়ের সাথে ওর বুকে ঘষতেছে। কিন্তু ফোমের কারণে কিছুই বুঝতে পারছি না। মুভি ৪৫ মিনিট হয়ে গেছে দুইজনের কেউই আগাচ্ছি না। দুইজনই জানি কি চাই তারপরেও এই শেষ ধাপটা পার করতে পারছিনা।
আমি আর কি করব ফোম ধরে ত লাভ নেই আবার কি বলব তাও বুঝতে পারছি না। আর ওর হাত এতবার ঘসা খাওয়ার পরেও সে কিছুই করেছে না। কিছুক্ষণ পরে দীনা ওর হাত টা আমার হাত থেকে সারিয়ে নিয়ে সোজা হয়ে বসল আমি ভাবলাম মনে হয় মেজাজটাই নষ্ট করে দিলাম।
একটু পরে দীনা ওর ডান হাত টা আমার হাতের উপর বিলি কাটতে থাকলে আমি আবার ওর হাতটা ঠিক বাড়ার উপর নিয়ে আমার হাতের নিচে আর বাড়া ঠিক উপরে রাখলাম আর ঠিক তখনই অনুভব করলাম এর কায়-আঙ্গুল টা আমার বাড়ার ঠিক মুন্ডিটার উপর স্পর্শ করছে।
আমি পা ছড়িয়ে বাড়া একটু উপর করতেই দিনার হাতের তালুতে গিয়ে ঠেকল। formal pant আর cotton underwear ভেদ করে ওর তালুর স্পর্শটা বেশ অনুভব করতে পারলাম। দীনাও আর থাকতে না পেরে আমার বাড়া খপ করে ধরে হাতের মুঠোয় নেয়ার চেষ্টা করতে থাকল। কিন্তু underwear tight থাকার কারণে ঠিক মত ধরতে পারছিলনা।
এভাবেই কিছুক্ষণ হাত বুলানোর পর আমার প্যান্ট এর চেইন খুলতে থাকল আমি ত ভয় পেয়ে গেলাম বেশিক্ষণ নারাচারি করলে যদি বের হয়ে যায় তাহলে ত ভেসে যাবে। যদিও গত শুক্রবার তিনবার করেছি তারপরেও মাঝে তিন দিন gap.
ভাবতে ভাবতে দীনা হাত ঢুকিয়ে দিয়েছে কিন্তু নতুন ও tight underwear এর কারণে তেমন সুবিধা করতে পারছিলনা। শুধু একটা আঙ্গুল ভিতরে ঢুকিয়ে বাড়ার নিচে ধরতে সক্ষম হয়েছে।
আমিও এই দিকে একটি হাত দিনার বুকের উপর নিলাম কিন্তু যা ভেবেছি তাই। ফোমের ব্রা ধরে কিছুই বুঝতে পারছি না। আর এই position এ বসে কামিজের গলা দিয়েও হাত ঢুকানো সম্ভব নয়।
আমাদের খেলা আর বেশিদূর এগোলও না। halftime হয়ে গেল?
সোজা toilet এ চলে গেলাম। গিয়ে দেখি precum ঝরে underwear ভিজে আছে। পেষাব করতে কষ্ট হচ্ছে কারণ সবাই জানেন। প্যান্ট পরে আবার inn করতে করতে ভাবলাম underwear কি খুলে যাব নাকি। কিন্তু ভয় তো থেকেই যায় যদি out হয় আর প্যান্ট মাখা মাখি হয়ে যায় তাহলে তো মহা কেলেঙ্কারি হবে।
হঠাৎ মাথায় কি হল ভাবলাম ধুর যা আছে কপালে। Underwear খুলে bagpack এ নিয়ে নিলাম। বের হয়ে দেখলাম দীনা বাইরে হাঁটছে। আমাকে দেখে একটা লজ্জা মাখা হাসি দিল। আমিও একটু স্বাভাবিক হাসি দেয়ার চেষ্টা করলাম।
তারপর চিপস আর cold drinks কিনে হলে গিয়ে বসলাম। মুভি শুরু হয় নি কিন্তু হলের আলো নেভানোই আছে। আমি কানে কানে জিজ্ঞেস করলাম কি অবস্থা?
দীনা বলল কিসের?
আমি জিজ্ঞেস করলাম বাথরুমে যাও নাই?
ওড়না দিয়ে মুখ লুকিয়ে বলল পুরা প্যান্টি ভিজে গেছে।
আমাকে জিজ্ঞেস করল তোমার?
আমি বললাম হাত দিয়ে দেখ।
দীনা প্যান্টের উপর দিয়ে ধরেই বলল খুলে এসেছ?
আমি বললাম হুম।
দীনা বলল তোমরটা কত বড়?
আমি বললাম ধরেই দেখ।
দীনা বলল উপরে হত দিয়েই তো মনে হচ্ছে বেস বড়।
আর দীনা যখন আমার বাড়া ধরছিল তখন ওর দুধ আমার বা হাতে স্পর্শ করতেই বুঝতে পারলাম ও ব্রা খুলে এসেছে আর ওর শক্ত নিপল এর খোঁচা আমার কনুইয়ে লাগছে।
মুভি শুরু হতেই দীনা আমার পেন্টের চেইন খুলে সোজা হাত ঢুকিয়ে দিল। আর আমার ৬.৫” বাড়ার গোরা থেকে ধরে হাত বুলাতে লাগল। আমি বললাম বেশি জোরে কর না out হয়ে যেতে পারে।
সিনেমার আলোতে ওর দুষ্ট হাসিটা আমার চোখ এরালো না। দীনা বলল দাড়াও দেখাচ্ছি মজা বলে বাড়া পুরাটা বের করে ফেলল প্যান্ট থেকে। আমি এক ঝলকে আসে পাসে দেখে নিলাম কি অবস্থা। দেখলাম নিরাপদ দূরত্বেই আছি। আর সবচেয়ে কাছে যে দুইজন আছে তারও একই কাজে ব্যস্ত।
কিন্তু এরপর দীনা যা করল তা আমার কল্পনার বাইরে ছিল।
সিটের নিচে রাখা কোকের বোতল বের করার ভান করে উবু হয়ে বসে আমার বাড়ার মুন্ডিটা মুখে পুরে চুক চুক চুক শব্দ করে তিনবার উপর নিচে করে সোজা হয়ে বসে ডান হাত দিয়ে কোকের ক্যাপ টা খুলে এক ঢোক গলায় পুরে দিল।
আমি ঘটনার আকস্মিকতায় এতটাই অবাক হলাম যে সেভাবেই বসে রইলাম। মিনিট খানেক সময় লাগল সম্বিত ফিরে পেতে। আমি ভাবলাম আমার বুঝি বের হয়ে গেছে। কিন্তু দীনা যখন হাত লাগালও তখন বুঝলাম যে না এখনও আখাম্বা হয়ে আছে।
মুখের লালা লেগে কিছুটা পিচ্ছিল হয়ে গেছে। দীনা আমার কানে কানে বলল আমার ইচ্ছে করছে পায়জামা টা খুলে এখনও বাড়ার উপর বসে পরি।
আমি এক ঝটকায় ওর হাত সরিয়ে প্যান্টে ঢুকিয়ে চেন লাগিয়ে দিলাম। আর কয়েকটা ঝাঁকুনি দিলেই ভেসে যাবে বেশ বুঝতে পারছি। আমি দিনার কানে কানে বললাম তুমি কি পাগল।
দীনা বলল sex উঠলে আমার মাথা ঠিক থাকে না।
আমি আস্তে আস্তে ওর ডান মাইয়ে একটা হাত দিয়ে বোটা ধরে দুই আঙ্গুলের চিপায় নিয়ে মোচর দিতে শুরু করলাম। এই দিকে আমার ধোণ প্যান্টের ভিতর লাফাচ্ছে।
দীনা আমার বাঁ হাত নিয়ে সোজা ওর পায়জামার ভিতর ঢুকিয়ে দিল। আর এমন ভাবে বসল যে কেউ তাকালেই বুঝতে পারবে এখানে কি হচ্ছে।
আমি বললাম সোজা হয়ে বস।
দীনা বলল দুই মিনিট হয়ে যাবে।
আমি আর কিছু না বলে সোজা আমার মধ্যমা ওর ভোদার চেরায় নিয়ে গেলাম। মনে হচ্ছে যেন গরম হাওয়া বের হচ্ছে।
দীনা আস্তে করে বলল ঢুকাও।
আমিও মধ্যমা অর্ধেক খানি ঢুকিয়ে দিলাম আর বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে ভগাংকুরে আস্তে আস্তে একটু ঘসা দেয়ার পর দীনা ওর ডান হাতটা দিয়ে আমার বাড়া চেপে ধরল একটু যেন দম বন্ধ করে রাখল তারপর কয়েকটা ঘন ঘন নিশ্বাস ছেরে আহ করে একটা শব্দ করেই হাতের চাপ ছেরে দিল আর অনুভব করতে লাগলাম হাল্কা একটা জলের ধারা আমার আঙ্গুলের নিচ দিয়ে গড়িয়ে যাচ্ছে।
মনে হয়েছিল মিনিট খানেক কিন্তু প্রায় পাঁচ মিনিট এই অবস্থাতে ছিলাম। পেছনে তাকাতেই দেখি আমাদের কাছে যে জোড়া বসেছিল ওদের মধ্যে মেয়েটি ড্যাব ড্যাব করে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।
আমারও বাড়া আধটা নেমে পেরেছে। নিজের বীর্য আটকে রাখতে যে কি কষ্ট তা সেদিন হারে হারে টের পেয়েছি। নইলে কি যে হত তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
এরপর দেখলাম দীনা সোজা হয়ে বসে পায়জামার ফিতা বাধল তারপর এক ঢোক কোক খেয়ে চুপচাপ মুভি দেখল। বাকি সময়টা দুই একটা কথার উত্তর দেয়া ছারা আর তেমন কিছুই বলল না।
মুভি যথারীতি শেষ হল মুভি। বাইরে বের হলাম দুইজন পাশাপাশি হাঁটছি। যেহেতু দিনার বাসা কাছেই তাই আর রিক্সা নিলাম না। সাধারণ কিছু কথা বলতে বলতে দীনাকে বাসা পর্যন্ত আগায় দিলাম।
তারপর বাসে উঠলাম বাসায় ফেরার জন্য। আজ আর কেউ রাতে থাকার invitation দিল না। অগত্যা বাসা….।
রাতে দীনা FB তে knock করল। আমি জিজ্ঞেস করলাম কেমন লাগল সে বলল আমার খুব খারাপ লাগছে আমি এসব কি করলাম। ছি: নিশ্চয়ই কেউ লক্ষ্য করেছে। কি ভাববে। তুমি কি ভাবতেছ খোদাই জানে।
আমি বললাম আমি কিছু ভাবতেছি না দুইজন প্রাপ্ত বয়সের ছেলে মেয়ে এমন একটু দুষ্টামি করবেই সেটা নিয়ে ভাবা-ভাবির কি আছে? ভাল লেগেছে কিনা সেটা বল।
তখন বলল ভাল তো লেগেছেই অন্যরকম excitement. Public place এ বসে এমন কখনও করব ভাবতেই পারি নাই।
আমি বললাম আমারটা কেমন মনে হল।
দীনা জিজ্ঞেস করল তোমরটা কত বড়। বেশ লম্বা।
আমি বললাম ৬.৫” তেমন লম্বা না average.
দীনা দুষ্টুমি করে বলল দেখি কেমন average.
আমিও সুযোগ পেয়ে গেলাম বললাম তোমারও দেখাতে হবে।
দীনা বলল nude ছবি দিব না।
আমি বললাম ভিডিও mode আস।
দীনা বলল রুম মেটরা আছে কি করে আসব।
আমি বললাম বাথরুমে।
দীনা: বাথরুমে আলো কম আর আমার মোবাইল ক্যামেরা এত ভাল না।
আমি বললাম তাহলে চেহারা ছারা ছবি দাও। আর আমাকে আশা করি এ বিষয়ে বিশ্বাস করতে পার।
আমার বউ আমার সাথে এত কিছু করার পরেও তাকে কিছুই করি নাই তাই এই সব ছোটলোকি কাজ যে আমি করব না তা তোমার বুঝা উচিত।
তারপর রাজি হল কিন্তু বলল গুদের ছবি দিবে না। সেটা একবারে সামনাসামনি।
আমি বললাম পাছার ছবি দিতে হবে। কিছুক্ষণ গাই গুই করার পরে রাজি হল। তারপর ছবি তুলতে বাথরুমে চলে গেল।আমার আগেই বেশ কয়েকটা তোলা ছিল তাই বসে অপেক্ষা করতে লাগলাম।
প্রায় পাঁচ মিনিট পর এসে বলল তুলেছি পাঠাব?
আমি বললাম অবশ্যই।
সে বলল আগে তুমি পাঠাও।
আমি বললাম ঠিক আছে তাহলে এক সাথে।
সে প্রথমে দুইটা বুবস এর ছবি পাঠাল পরে একটা বাক সাইডের কিন্তু সাইড এঙ্গেল থেকে পাঠালও।
আলো কম তেমন কিছুই বুঝা যাচ্ছিল না। আমিও আমার বাড়ার ছবি পাঠালাম।
দেখে বলল বেশ লম্বা। আমার জামাইর টা তোমারটার চেয়ে মোটা একটু বেশি ছিল কিন্তু লম্বায় অনেক কম ছিল।
আমি বললাম thank you thank you.
তারপর আরও কিছু se#x&ual কথা বলে সেদিনের মত ঘুমাইতে গেলাম।
চলবে..
তোমার উত্তেজিত শব্দগুলো আমার জন্য সবচেয়ে মধুর পুরস্কার! তোমার কল্পনা, তোমার আগ্রহ, তোমার গোপন ইচ্ছেগুলো শেয়ার করতে দ্বিধা কোরো না… আমি অপেক্ষায় থাকবো।
